আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা : নুর

  • আপডেট টাইম : December 25 2019, 11:58
  • 91 বার পঠিত
আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা : নুর

হত্যার উদ্দেশ্যে ডাকসুতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন নুরুল হক নুর। এমন অভিযোগ এনে ৩৭ জনের নামে শাহবাগ থানায় নুরের পক্ষে অভিযোগ জমা দেয়া হয়েছে। এর আগে পুলিশের করা মামলার সঙ্গে এ অভিযোগেরও তদন্ত হবে থানা পুলিশ জানিয়েছে। অভিযোগ নুর তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলা হয় উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৩৭ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করেন। আবেদনটি দুপুরে থানায় নিয়ে যান ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন। মামলার আবেদনের বিষয়ে আখতার হোসেন বলেন, হামলার নির্দেশদাতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস এবং সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে আসামি করে আমরা মামলার আবেদন করেছি। এর সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, তারা মামলার আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আবেদনে কিছু সংশোধনী দিতে বলা হয়েছে।

এটি পৃথক মামলা হবে না। আগের মামলাতেই এই অভিযোগ নথিভুক্ত করা হবে। নুরের করা আবেদনে বলা হয়, সময় আনুমানিক দুপুর ১২টায় আমি সংগঠনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার কক্ষে অবস্থান করি। হঠাৎ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ আমার কক্ষে প্রবেশ করে অতর্কিতে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে চলে যায়। তারা পুনরায় যেন হামলা করতে না পারে, তাই ডাকসু কর্মচারীদের সহায়তায় ডাকসুর মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস এবং সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসু্থর এজিএস সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ডাকসুর মূল ফটকের তালা খুলে আমার কক্ষে প্রবেশ করেন। আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় দফা হামলা চালান। তারা আমার কক্ষের বাতি নিভিয়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহকারে হত্যার উদ্দেশে আমার এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় আমার ডান হাত এবং ডান পাঁজর মারাত্মকভাবে জখম হয়।

আবেদনে যাদেরকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয় তারা হলেন- (১) সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, (২) সাদ্দাম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, (৩) আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, (৪) আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, (৫) সনেট মাহমুদ, সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, ঢাবি শাখা, (৬) ইয়াসির আরাফাত তুর্য, সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, ঢাবি,(৭) মারিয়াম জাহান খান, ভিপি, সূর্যসেন হল সংসদ, (৮)শেখ মুহাম্মদ অনিন, সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাবি ছাত্রলীগ,(১৯) আঙ্গুর আলীম খান, ভিপি, এ,এফ, রহমান হল সংসদ, (১০) আবু ইউনুস, এজিএস, বিজয় একাত্তর হল সংসদ, (১১) রাকিবুল হাসান ঐতিহ্য, সদস্য, ডাকসু, (১২) মাহমুদুর হাসান,সদস্য, ডাকসু,(১৩) সাদ বিন কাদের চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, ডাকসু, (১৪) রবিউল হোসেন রানা, সহ-সভাপতি, ঢাবি ছাত্রলীগ, (১৫) নিয়মত উল্লাহ তপন, শিক্ষা বিষয়ক উপ-সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, (১৬) হাসিবুল হাসান শান্ত, জিএস, জিয়া হল সংসদ, (১৭) সিফাতুজ্জামান খান, ক্রীড়া সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, (১৮) মিজানুর রহমান মিজান, জিএস, মহসীন হল সংসদ, (১৯) ফেরদৌস আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, (২০) আব্দুর রহিম সরকার, জিএস, এ.এফ রহমান হল সংসদ, (২১) অনজিল ইমরান তালাশ, সাহিত্য সম্পাদক, এ.এফ রহমান হল সংসদ, (২২) মাহমুদুল হাসান বাবু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ঢাবি ছাত্রলীগ, (২৩) সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক, জিয়া হল ছাত্রলীগ, (২৪) মামুন বিন সার, সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, (২৫) ইবনুল হাসান উজ্জল, (২৬) সুজন, উপ-স্কুল বিষয়ক দিক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, (২৭) খান মিলন হোসেন নীরব,এস.এম. হল ছাত্রলীগ, (২৮) ইমরান আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, কবি জসীম উদ্দিন হল ছাত্রলীগ, (২৯) হৃদয় হাসান সোহাগ, গণশিক্ষা সম্পাদক, ঢাবি ছাত্রলীগ, (৩০) উজ্জল, চারুকলা ছাত্রলীগ, (৩১) আরিফুল ইসলাম, (৩২) ফাতিমা রিপা, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, (৩৩) আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ (কামাল গ্রুপ), (৩৪) আইনুল ইসলাম মাহবুব, যুগ-সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, (৩৫) মেহেদী হাসান নিবিড় (৩৬) মেহেদী হাসান শান্ত, জিএস, বঙ্গবন্ধু হল সংসদ (৩৭) জীবন রায়, সহ সভাপতি, ঢাবি ছাত্রলীগসহ ছাত্রলীগের অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জন নেতাকর্মী।

এদিকে এই হামলার ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৪৩ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করে শাহবাগ থানা পুলিশ। সোমবার রাতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৮ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়। শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক ও নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রইচ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানিয়েছেন, তারা আহতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা দায়ের করতে বলেছিলেন। কিন্তু রাত ১২টা পর্যন্ত কেউ মামলা করেননি। এ জন্য পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। রোববারের ঘটনায় আহত কেউ পরে মামলা করলে সেটি পুলিশের দায়ের করা এজাহারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও নাম দেখে মামলায় আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেপ্তার ৩ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুরসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় জড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে সংহতি সমাবেশ থেকে। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ছাত্র-জনতার এক সমাবেশ থেকে এ দাবি করা হয়। এসময় ছাত্র-জনতা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায় ভিসি ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন। সমাবেশ থেকে ডাকসু ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি করা হয়। দাবিগুলো আদায় না হলে সারাদেশের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেয়া হয়েছে ছাত্র-জনতার সমাবেশ থেকে। সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ব্যানারে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে দৃক ফটো গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা আলোকচিত্রী শহীদুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসান ফেরদৌস, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলোকচিত্রী শহীদুল আলম বলেন, এ সময় বুক ফুলিয়ে আপনারা এরকম সকলের সামনে এসে প্রতিবাদ করছেন। এটা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিলো। যে সময়ে সারাদেশের মানুষ ভয় পাচ্ছে, একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় আবরারের মতো ছেলে মারা গেছে এবং আবার এই দিন শুরু হয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে যেখানে এগুলো শুরু হচ্ছে, সেখানে আমরা যে সকলে সেভাবে ভয় পাই না সেটা বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। এবং আপনারা সেই প্রতীক, আপনারা সেই সাহস এবং আপনারা সেই ভবিষ্যৎ। আমি আপনাদের সম্মান জানাই। ডাকসুর ভিপির ওপর হামলা ও দেশের সামগ্রিক অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, এখানে যেটা হয়েছে সেটা একমাত্র ঘটনা নয়। সেটা যে হতে পারে সেদিকেই ইঙ্গিত রাখে। এখানে নির্ভয়ে এরকম অত্যাচার করা যায়, এমনকি অত্যাচার করলে কোনো কিছু হবে না জানে, করার পরে তারা এতো সাহস-দাপট দেখিয়ে পদচারণ করতে পারে আমাদের এ জায়গায়। এটাকে প্রশ্ন করার সাহস দেখিয়েছেন আপনারা, আপনারা সে প্রশ্ন করছেন। তিনি আরো বলেন, আমরা যে ছোট কিছু না আমরা যে অল্প কেউ না আমাদের যে ক্ষমতা আছে, আমাদের দেশ, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সেটা প্রমাণ করার প্রয়োজন রয়েছে। আপনারা সে কাজ করছেন আপনাদের মুবারকবাদ জানাই। আপনাদের দেখাদেখি সারা দেশবাসী জেগে উঠবে এবং মানুষের ঢল যখন এখানে নামবে তখন কেউ তাকে ঠেকাতে পারবে না।

উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের স্মারকলিপি: এর আগে দুপুরে উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে স্মারকলিপি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, আক্রান্ত ছাত্ররা আপনার প্রশাসনের সাহায্য প্রার্থনা করেছিল। কিন্তু আপনি ও আপনার প্রশাসন এ ঘটনা বন্ধ করার কোনোপ্রকার উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো তাঁদেরই কটুকথা বলে বহিষ্কারের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে আক্রমণকারীদের পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন। অতীতেও এ ধরনের নানা অভিযোগ আপনি ও আপনার প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত হয়েছে, আপনি তার একটারও সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করেছেন বলে আমরা দেখতে পাইনি। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা হরহামেশাই বিভিন্ন প্রকার নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, কিন্তু তাঁরা আপনার কাছ থেকে কোনা প্রতিকার পাচ্ছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ভিসি হওয়া সত্ত্বেও আপনি সব শিক্ষার্থীর প্রতি শিক্ষকসুলভ নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা চলমান অবস্থার অবসান চাই এবং কেন আপনি ও আপনার প্রশাসন আমাদের সন্তানদের সঙ্গে এমন অশিক্ষকসুলভ আচরণ করছেন তার কারণ জানতে চাই। স্মারকলিপি গ্রহণের পর ভিসি সাংবাদিকদের বলেন, আমি উনাদের দাবিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। আমরা সিসিটিভির ফুটেজ উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছি। দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

সাদা দলের মানববন্ধন: এর আগে দুপুরে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। এসময় সাদা দলের শিক্ষকরা ডাকসু ভিপি নুরুল হক ও তার অনুসারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপির ওপর হামলা মানে গোটা জাতির উপর হামলা। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যকে নষ্ট করেছে এই মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। এই হামলার পর আমরা শিক্ষক হিসেবে লজ্জিত। শুধু এই ঘটনা নয়, আজ ঢাবির বিভিন্ন হলেও সন্ত্রাসী হামলা চলে। মতের ভিন্ন হলেই মার দেয়া হয়। ভিপি তাদের মতের সমর্থন করেনা বলে তাকে মারা হয়েছে। ডাকসু ভিপির ওপর হামলা মানে গোটা জাতির উপর হামলা, পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর হামলা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে দ্রুত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার এবং নুরসহ সবার চিকিৎসার খরচ প্রশাসনকে বহন করার দাবি জানান তিনি। রোকেয়া হলের সাবেক প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লায়লা নূর ইসলাম সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানিয়ে বলেন, ডাকসু সমগ্র জাতির গৌরবের জায়গা। সে জায়গায় সন্ত্রাসী হামলা মেনে নেয়া যায়না। ঢাবির উপর আঘাত আসলে জাতির ওপর আসে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া উচিত ছিল, কিন্তু প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অর্ধশতাধিক শিক্ষক এতে অংশ নেন। মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

Sharing is Caring!

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর